৭ বছর বয়সী থিয়াগো মেসি নিয়মিত জুভেন্টাস তারকা রোনালদোর খোঁজ রাখেন। শুধু তাই নয়, বাবা খারাপ পারফরম্যান্সের করলে সমালোচনা করতেও ছাড়েন না মেসির বড় ছেলে।

দুজনের দ্বৈরথ প্রায় এক যুগের। এ সময়ের মধ্যে ফুটবলের বেশিরভাগ ব্যক্তিগত অর্জন ভাগাভাগি করে নিয়েছেন দুজনে। দুজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও, রোনালদোর বড় ছেলে মেসিকে অনুসরন করে, আবার মেসির বড় ছেলে মুগ্ধ চোখে উপভোগ করে রোনালদোর ফুটবল নৈপূণ্য। বাবাকে প্রায়ই রোনালদোর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন মেসিপুত্র থিয়াগো। স্বয়ং মেসি নিজেই জানালেন এসব কথা।

২০১৭ সালে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যখন পঞ্চম ব্যালন ডি'অর জিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মেসির সঙ্গে সমতা আনেন, সেবার বাবার সঙ্গে ব্যালন ডি'অরের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রোনালদোপুত্র ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রও। আইফেল টাওয়ারের সামনে মঞ্চস্থ হওয়া সেই পুরস্কার অনুষ্ঠানে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়ররের সুযোগ হয়েছিল বাবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মেসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার। সাক্ষাতের সেই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্ধী করে ইনস্টাগ্রামে পোষ্ট করেন রোনালদোর বড় পুত্র। সেই পোষ্টের ক্যাপশনে সে লিখেছিল, "আপনাকে ধন্যবাদ আমার আদর্শ, লিও মেসি।''

নিজের বাবাই যখন সুপারস্টার, তখন অন্য কাউকে আদর্শ ভাবাটা তো রীতিমত অবাক করার মতো। সেখানে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র তো আদর্শ মানেন খোদ বাবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকেই। রোনালদোর ছেলে যেমন মেসিকে অনুসরন করে, এবার মেসি জানালেন তার বড় ছেলে থিয়াগোও নাকি রোনালদোর খোঁজ রাখেন নিয়মিত। সম্প্রতি স্প্যানিশ গণমাধ্যম মুন্ডো দেপর্তিভোকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে মেসি জানান,

''সে লুইজকে  (সুয়ারেজ) নিয়ে কথা বলে, আমাদের মধ্যে খুবই ভাল সম্পর্ক রয়েছে। গ্রিজম্যানের সম্পর্কে এবং আর্তুরো ভিদালের ভিন্ন রকমের চুলের ব্যাপারেও তার সাথে কথা হয়। দলের (বার্সেলোনা) বাইরে কিলিয়ান এমবাপ্পে, নেইমার এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর খোঁজ রাখে সে। সে সবাইকে চেনে। তাদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে এবং অনেক পছন্দও করে।"

শুধু তাই নয়, একটু খারাপ খেললে থিয়াগোর কাছে সমালোচনার শিকার হতে হয়ে মেসিকে। সন্তানের কাছে দুয়ো পাওয়া মেসি বলেন, 'হ্যাঁ, আমি ইতিমধ্যে কয়েকবার দুয়ো পেয়েছি তার কাছে। সে বার্সোলোনার লা-লীগা এবং চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ম্যাচ দেখে।'


শেয়ারঃ


এই বিভাগের আরও লেখা