করোনাভাইরাসের প্রকোপ কাটিয়ে আবারো খেলা শুরু হওয়ার আগে মাঠে ফিরতে পারেন কয়েকজন ইনজুরি আক্রান্ত ফুটবলার।

করোনাভাইরাসের কারণে ২০২০ সালের ইউরো পেছানো হয়েছে। পিছিয়েছে ২০২০ সালের কোপা আমেরিকাও। এর আগে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ এবং ইউরোপা লীগ স্থগিত হয়েছে। স্থগিত করা হয়েছে ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় লীগগুলোও। করোনার কালো থাবায় ফুটবল প্রায় থমকে গেছে। এর মাঝেও কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন ইনজুরি আক্রান্ত ফুটবলাররা। ইউরোপীয়ান প্রতিযোগিতাগুলো আবারো শুরু হওয়ার আগই হয়তো তাদের অনেকেই সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে পারবেন। 

উসমান ডেম্বেলে ও সুয়ারেজের ইনজুরি ভোগাচ্ছে লা-লীগার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনাকে। তাদের অনুপস্থিতিতে হতাশার কথা জানিয়েছিলেন বার্সা কোচ কিকে সেতিয়েন। হাঁটুর অস্ত্রোপচার করায় প্রায় ৪ মাসের জন্য ছিটকে গিয়েছিলেন সুয়ারেজ। হ্যামেস্ট্রিং ইনজুরি জন্য সার্জারি করেছেন ডেম্বেলেও। প্রায় ৬ মাসের মতো মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে। তাই করোনার প্রকোপ কাটিয়ে আবারো খেলা শুরু হলে সুয়ারেজকে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও, এই মৌসুমে ডেম্বেলের ফিরে আসার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। 

রিয়াল মাদ্রিদের এডেন হ্যাজার্ডও ভুগছেন অ্যাঙ্কল ইনজুরিতে। তার শরীরেও অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। ফলে মৌসুমের বাকী ম্যাচগুলো খেলার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ ছিল তার। ইউরো হলে হয়তো বাদ পড়তেন বেলজিয়াম দল থেকেও। ইনজুরি হানা দিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডেও। তাদের দুই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার পল পগবা এবং মার্কাস রাশফোর্ড ইনজুরিতে ভুগছেন। এছাড়া ইনজুরির কারণে গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের অনুপস্থিতিটা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সর্বশেষ ম্যাচে ভালই ভুগিয়েছে লিভারপুলকে। 

কিছুদিন আগে টটেনহামের কোচ মরিনহো একটি কথা বলেছেন। চোটের কারণে নাকি তিনি দল বানাতে পারছেন না। সন হিউং মিন, হ্যারি কেন এবং স্টিভেন বার্গউইনের মতো কয়েকজন ফুটবলারকে ছাড়া টটেনহামের একাদশ সাজানো সত্যিই কঠিন। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলাররাই ভুগছেন ইনজুরিতে। তাই বাধ্য হয়েই কথাটি বলতে হয়েছে মরিনহোকে। তবে পর্তুগিজ কোচ এবার একটু স্বস্তি পেতে পারেন। করোনাভাইরাসের প্রকোপ কাটিয়ে খেলা শুরু হওয়ার আগেই হয়তো তিনি ফিরে পাবেন তার গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারদের। 

 

 


শেয়ারঃ


এই বিভাগের আরও লেখা